রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মান্দা মমিন শাহানা সরকারি ডিগ্রী কলেজের উৎপত্তি মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকেই

মান্দা মমিন শাহানা সরকারী ডিগ্রী কলেজ  - মান্দা উপজেলার সর্বপ্রথম মহাবিদ্যালয় (কলেজ) ।১৯৭০ সালে সুধীজনের সহযোগিতায় মরহুম মমিন শাহানা এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন । কিন্তু এই কলেজের উৎপত্তি মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে (১৯৬০ সালে যেই প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল মান্দা শ্যাম চাঁদ উচ্চ বিদ্যালয় ।

মান্দা মমিন শাহানা কলেজ 

 ১৯৭০ সালে মান্দায় একটি কলেজ গড়ার লক্ষে কিছু সমাজ সেবক ও কয়েকজন ছাত্র মিলে শুরু করা হয় এই কলেজ । কিন্তু তখন কলেজ তৈরির জন্য যথেষ্ট অর্থ ছিল না ও জায়গাও ছিল যেকারনে তারা মান্দা এস,সি উচ্চ বিদ্যালয়ের (মান্দা পাইলট) বিজ্ঞান শাখার কক্ষে প্রথম ক্লাস শুরু করেন । আর সেই ক্লাস ছিল মান্দা মমিন শাহানা কলেজের সর্বপ্রথম ক্লাস । মান্দা মমিন শাহানা কলেজ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এই মান্দা এস,সি উচ্চ বিদ্যালয়েই যেকারনে আজ এই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ রয়েছে এই মান্দা উপজেলায় । আর সেই কলেজ এখন সরকারী কলেজে (জাতীয় করন)  পরিণত হয়েছে ।


                                                   Written by: Noor Mohammad Sadik 

সোমবার, ২১ মে, ২০১৮

মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলজের একাডেমিক ভবনের (রং করার) কাজ সম্পূর্ণ হলো ।
Image may contain: sky, tree, house, plant and outdoor

রবিবার, ২০ মে, ২০১৮

ভর্তি চলছে

মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ এর কলেজ শাখায় ভর্তি চলছে । 

বুধবার, ১৬ মে, ২০১৮

নোটিশ


এত দ্বারা অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী , শিক্ষক ও কর্মচারীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৭/০৫/২০১৮ ইং তারিখ থেকে ২১/০৫/২০১৮ ইং তারিখ পর্যন্ত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও ২৩/০৫/২০১৮ ইং তারিখে বিদ্যালয় যথাসময়ে শুরু হবে ।

বুধবার, ৯ মে, ২০১৮


মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মান্দা, নওগাঁ ।। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ৩১৫ টি মডেল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ একটি । প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন রকম তথ্য রয়েছে । মান্দা উপজেলা সহ এর আশে পাশের সকল উপজেলায় এই প্রতিষ্ঠানটি খুব বিখ্যাত । এক কথায় বলতে গেলে পুরো নওগাঁ জেলার মধ্যেই এই প্রতিষ্ঠানটি বিখ্যাত । যদিও এটি সরকারি নয় তবুও সেই ১৯১০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি খুব বিখ্যাত একটি প্রতিষ্ঠান । শিক্ষার দিক দিয়ে দেখতে গেলে , অনেক সময় প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খুব ভালো হয় এবং অনেক সময় একটু খারাপও হয় । কারন এই প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি করানো হয় না । অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সেই সব ছাত্র ছাত্রীকে নেয়া হয় যেই সব ছাত্র-ছাত্রীর ফলাফল ভালো । কিন্তু আমাদের মতে যারা ভালো ফলাফল করতে পারেনা তাদের কি শিক্ষা গ্রহন করার অধিকার নেই? আমরা বলব- অবশ্যই আছে । এই প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে যেসব শিক্ষার্থী বসবাস করে তারা সবাই এক রকম পরিবারের না । কিন্তু যারা আসলেই পড়ালেখা করে তারাই ফলাফল ভালো করে , সে যেই হোক । মান্দা এস,সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সবাইকেই লেখা পড়া করার সুযোগ দেয় । প্রতিষ্ঠানটি গ্রাম এলাকায় অবস্থিত কিন্তু এই এলাকা এখন আর আগের মতো নেই এখন এই এলাকাটি ৮০% শহর এলাকা । এই প্রতিষ্ঠানটি একটি মোড়ের মধ্যে- মান্দা-নিমায়েতপুর রোডের ধারে অবস্থিত । আমরা চেষ্ঠা করি সকলকেই সঠিক শিক্ষা দেওয়ার ।
     
 প্রবন্ধটি পড়ার জন্য  
আপনাকে ধন্যবাদ                      

          আরও জানতেঃ www.mscs-edu.webs.com 

                                                      লেখা ও প্রকাশঃ   নূর মোহাম্মাদ সাদিক   

মঙ্গলবার, ১ মে, ২০১৮

মে দিবস - May Day


মে দিবস



১ মে ১৮৮৬
সংগ্রামী দিনগুলোর যে তালিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে তার মধ্যে মে দিবস অনন্য। শ্রমজীবি মানুষের অধিকার আদায়ে এই দিন এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজ থেকে ১৩১ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ১৮৮৬ সালে হে মার্কেটের সামনে শ্রমিক আন্দোলনের সূত্র ধরে বিশ্বব্যাপী এই দিনে পালিত হয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস হিসাবে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্বতঃস্ফূর্ত ও অসংগঠিতভাবেই অনধিক ১০ ঘণ্টার শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ ও অন্যান্য দাবিতে কয়লা খনি শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন শুরু করে। ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে পেনসেলভেনিয়ার কয়লা খনি শ্রমিকদের সংঘর্ষে ১০ শ্রমিক নিহত হন। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরে উল্লিখিত অনধিক ১০ ঘণ্টা শ্রমঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে শ্রমিকদের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের কেন্দ্রস্থল হে মার্কেটের কাছে পৌঁছলে সৈনিকরা বাধা দেয় এবং সংঘর্ষ বেধে যায়। সৈনিকদের গুলিতে বহুসংখ্যক শ্রমিক নিহত ও আহত হন। শ্রমিকদের রক্তে ভেজা শার্ট নিয়ে মিছিল এগিয়ে চলে। আন্দোলন আরও তীব্র রূপ ধারণ করে। শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত শার্ট লাল পতাকায় রূপান্তরিত হয়। ধর্মঘট ও প্রতিবাদ মিছিল চলে ৫ মে পর্যন্ত। ইতোমধ্যে ৩ মে ৬ জন এবং ৫ মে আরও ৪ জন শ্রমিক পুলিশের গুলিতে নিহত হন। গ্রেফতার হন শত শত শ্রমিক। পরবর্তীকালে যাদের অনেককেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেন্ট লুইস শ্রমিক সম্মেলনে কাজের সময় ৮ ঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে মে দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নামে খ্যাত কমিউনিস্ট ও সমাজতন্ত্রীদের প্যারিস সম্মেলনে ১ মে তারিখটিকে দেশে দেশে শ্রমিক-শ্রেণির আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত না হলেও ১৮৯০ সাল থেকে ইউরোপের দেশে দেশে শ্রমিক-শ্রেণি ১ মে, মে দিবস পালন করে আসছে। রুশ বিপ্লব, পশ্চিমা দেশগুলোতে সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সম্প্রসারণের ফলে প্রথমে গুটিকয়েক দেশ ১ মে-কে শ্রমিক দিবস হিসেবে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করে। ভারতে প্রথম মে দিবস পালিত হয় ১৯২৩ সালে।
আমেরিকা ও কানাডাতে অবশ্য সেপ্টেম্বর মাসে শ্রম দিবস পালিত হয়। সেখানকার কেন্দ্রীয় শ্রমিক ইউনিয়ন এবং শ্রমের নাইট এই দিন পালনের উদ্যোগতা। হে মার্কেটের হত্যাকাণ্ডের পর আমেরিকার তকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মনে করেছিলেন পয়লা মে তারিখে যে-কোন আয়োজন হানাহানিতে পর্যবসিত হতে পারে। সে জন্য ১৮৮৭ সালেই তিনি নাইটের সমর্থিত শ্রম দিবস পালনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন।
মহান মে দিবসে সকল শ্রেনীর শ্রমজীবী মানুষকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।